উইকেটের দেখা পেল বাংলাদেশ
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস: ২২ ওভারে ১০৬/১।
অবশেষে পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে পারল বাংলাদেশ। মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন ইমাম উল হক। ১০৬ রানে প্রথম উইকেট হারাল পাকিস্তান।
পাকিস্তানের এক শ, আওয়াইসের ফিফটি
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস: ২১ ওভারে ১০৪/০।
২১তম ওভারটি করেছেন ইবাদত হোসেন। এই ওভারের তৃতীয় বলে কাভার দিয়ে চার মেরেছেন আজান আওয়াইস। পঞ্চম বলে মেরেছেন আরও একটি, সোজা লং অন দিয়ে।
এই চারে পাকিস্তানের রান এক শ ছুঁয়েছে। পরের বলে দুই রান নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন আওয়াইস। প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলতে নেমে অভিষেক ইনিংসেই ফিফটি করলেন এই বাঁহাতি। ইমাম উল হক ব্যাট করছেন ৪৩ রানে।
জমে গেছেন ইমাম–আজান
পাকিস্তান: ১৬ ওভারে ৭৬/০
চা বিরতির পরও দারুণ ব্যাট করছেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার ইমাম–উল–হক ও আজান আওয়াইস। আজান ৩২ ও ইমাম ৩৮ রানে অপরাজিত।
তিন পেসার ও এক স্পিনার নিয়েও তাদের জুটি ভাঙতে পারছে না বাংলাদেশ।
চা বিরতিতে দুই দল
পাকিস্তান: ১০ ওভারে ৫০/০।
শেষ হলো দ্বিতীয় সেশনের খেলা। চা বিরতিতে গিয়েছে দুই দল। তার আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১০ ওভারে ৫০ রান তুলেছে পাকিস্তান। আওয়াইস ১৮ ও ইমাম ২৮ রানে অপরাজিত। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ৩৬৩ রানে পিছিয়ে পাকিস্তান।
অষ্টম ওভারে ইবাদতের চতুর্থ বলে তৃতীয় স্লিপে ক্যাচ ছাড়েন মাহমুদুল হাসান। লাফ দিয়েছিলেন, কিন্তু এক হাতের চেষ্টায় বল হাতে রাখতে পারেননি।
পরের ওভারে নাহিদ রানার বলে মাঠের আম্পায়ার ইমামকে আউট দিলেও রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান পাকিস্তানি ওপেনার।
নাহিদের বাউন্সারে বিপদে আজান
পাকিস্তান: ৭ ওভারে ৩৬/০।
সপ্তম ওভারে প্রথম আক্রমণে এসে প্রথম বলেই বাউন্সার মারেন ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা। ১৪০.৯ কিমি গতির ডেলিভারিটি সাপের ছোবলের মতো আঘাত হানে পাকিস্তানি ওপেনার আজান আওয়াইসের হেলমেটে।
মাঠে পাকিস্তান দলের ফিজিও তৎক্ষণাৎ ঢুকে আজানের প্রাথমিক চিকিৎসা করেন। কনকাশনের কোনো শঙ্কা আছে কি না সেটা নিশ্চিত হয়েছেন দীর্ঘ সময় কথা বলে। শেষ পর্যন্ত আবারও ব্যাটিংয়ে দাঁড়াতে পেরেছেন অভিষিক্ত আজান আওয়াইস। অর্থাৎ বিপদমুক্ত।
দেখেশুনে এগোচ্ছে পাকিস্তান
পাকিস্তান: ৪ ওভারে ১৯/০।
বুঝেশুনে ব্যাট করছেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার ইমাম–উল–হক ও আজান আওয়াইস।
স্লিপে এ পর্যন্ত দুটি ক্যাচ উঠলেও বল নিচু হয়ে বাংলাদেশের ফিল্ডারদের সামনে পড়েছে।
তাসকিন ও ইবাদত বোলিং করছেন। আজান ৭ ও ইমাম ১০ রানে অপরাজিত।
১১৭.১ ওভারে ৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ
সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ ( নাজমুল ১০১, মুমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১, লিটন ৩৩, তাসকিন ২৮, তাইজুল ১৭, সাদমান ১৩ ; আব্বাস ৫/৯২, আফ্রিদি ৩/১১৩, হাসান ১/৭৫, নোমান ১/৮০)।
১১৮তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির প্রথম বলে স্লিপে দারুণ ডাইভে তাসকিনের ক্যাচ নেন সৌদ শাকিল। এই আউটের মধ্য দিয়ে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হলো বাংলাদেশ।
শেষ উইকেটে তাসকিন–নাহিদের ৩৯ বলে ২৯ রানের জুটিতে দলীয় স্কোর চার শ পার করতে পেরেছে বাংলাদেশ। এই জুটিতে তাসকিনের অবদান ১৬ বলে ২৪, নাহিদের ২৩ বলে ৪।
১ ছক্কা ও ৩ চারে ১৯ বলে ২৮ রানে আউট হলেন তাসকিন। আগের দিন একটি এবং আজ চারটি উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবারের মতো ইনিংসে ন্যূনতম ৫ উইকেট পেলেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। তাঁর বোলিং ফিগার ৩৪–৮–৯২–৫।
৮৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৩০১ রানে গতকাল প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ। আজ ৩২.১ ওভার ব্যাট করে বাকি ৬ উইকেট হারিয়ে ১১২ রান তুলতে পেরেছে বাংলাদেশ।
আগের দিন ৪৮ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিক আজ ৭১ রানে আউট হন। লিটন করেন ৩৩ রান। দলীয় ৩৭৮ রানে ২৪ বলের মধ্যে তাইজুল, মুশফিক ও ইবাদতকে হারায় বাংলাদেশ।

ছক্কায় চার শ পার
বাংলাদেশ: ১১৫ ওভারে ৪০৩/৯।
১১৫ তম ওভারে আব্বাসের দ্বিতীয় বলে স্ট্রেট দিয়ে ছক্কা মেরে বাংলাদেশের দলীয় স্কোর চার শ পার করলেন তাসকিন।
মারমুখো ব্যাট করা তাসকিন ১২ বলে ২০ রানে অপরাজিত। নাহিদ ১৬ বলে ২ রানে অপরাজিত।
ইবাদতও আউট, চার শ নিয়ে সংশয়
বাংলাদেশ: ১১১ ওভারে ৩৮৫/৯।
১১১ তম ওভারের পঞ্চম বলে ইবাদতকে (০) রিজওয়ানের ক্যাচ বানালেন আব্বাস। এই ইনিংসে এটি আব্বাসের ৫ম উইকেট।
শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমেছেন নাহিদ রানা। অন্য প্রান্তে তাসকিন। চার শর দেখা কি পাবে বাংলাদেশ?
নাহ, মুশফিক পারলেন না!
বাংলাদেশ: ১১০ ওভারে ২৮৪/৮।
মুশফিক তাঁর জন্মদিনে সেঞ্চুরি পাবেন কি না, সেই আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে মুশফিক ৭১ রানে থাকতে তাঁকে দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করলেন শাহিন আফ্রিদি।
১১০ তম ওভারের তৃতীয় বলে রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে আফ্রিদির ডেলিভারিটি ভেতরে ঢুকে মুশফিকের স্টাম্প উপড়ে দেয়। ভুল লাইনে খেলা বল ব্যাটে পাননি মুশফিক। ১৭৯ বলে শেষ হলো তাঁর ৭১ রানের ইনিংস।
ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান তাসকিন আহমেদ। অন্য প্রান্তে আছেন ইবাদত।

শেষ হলো প্রথম সেশন
বাংলাদেশ: ১০৯ ওভারে ৩৮০/৭।
আজ দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে ২৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৯ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
আউট হন লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। ৭১ রান নিয়ে এক প্রান্ত আগলে রেখেছেন মুশফিক। অন্য প্রান্তে রয়েছেন ইবাদত।
উইকেটে আজ বল ওঠা–নামা করছে বেশি। কিছু বল উঠেছে, কিছু আবার বিপজ্জনকভাবে নিচু হয়েছে। মুশফিক এগুলো সামলেই ভালো ব্যাট করছেন। নিজের জন্মদিনে সেঞ্চুরি পাবেন কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
তবে এই টেস্টের আগে অধিনায়ক নাজমুল হোসেনের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের পথেই আছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে চার শ রান তোলার কথা বলেছিলেন নাজমুল। বাংলাদেশ আজ প্রথম সেশনের খেলা শেষে চার শ রান থেকে মাত্র ২০ রান দূরে।
পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার মোহাম্মদ আব্বাস। ৩১ ওভার বোলিং করে ৭৩ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। এর মধ্যে ৩টি উইকেটই নিয়েছেন আজ।

আব্বাসের চতুর্থ উইকেট
বাংলাদেশ: ১০৭ ওভারে ৩৭৮/৭।
এবার তাঁর বাউন্সারে শিকার তাইজুল ইসলাম। পুল করতে গিয়ে উইকেটকিপার রিজওয়ানকে ক্যাচ দেন ২৩ বলে ১৭ রান করা তাইজুল।
তাইজুল পাকিস্তানি পেসার আব্বাসের চতুর্থ শিকার।
নতুন ব্যাটসম্যান ইবাদত হোসেন। মুশফিক ৬৯ রানে অপরাজিত। সেঞ্চুরি পেতে অন্য প্রান্তে তাঁর নির্ভরযোগ্য সঙ্গী প্রয়োজন। ইবাদত কি পারবেন?
জন্মদিনে টেস্ট সেঞ্চুরি পেয়েছেন কারা
মুশফিকের আজ জন্মদিন। ৬৯ রানে মিরপুর টেস্টে ব্যাট করছেন। সেঞ্চুরি কি পাবেন?
জন্মদিনে টেস্ট সেঞ্চুরির সঠিক তালিকা নেই। তবে এমন বেশ কিছু ঘটনা উল্লেখ করা যায়।
২০০৬ সালে সেন্ট কিটসে ভারতের বিপক্ষে টেস্টে সেঞ্চুরি করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের রামনরেশ সারওয়ান।
১৯৭০ সালে গেবারায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে জন্মদিনে সেঞ্চুরি করেন দক্ষিণ আফ্রিকার লি আরভিন। টেস্টে সেটাই তাঁর একমাত্র সেঞ্চুরি। ইংল্যান্ডের ক্রিস লুইসও টেস্ট ক্যারিয়ারে একমাত্র সেঞ্চুরিটি করেন নিজের জন্মদিনে। সেটা ১৯৯৩ সালে ভারতের বিপক্ষে চেন্নাই টেস্টে।
১৯৫১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মেলবোর্ন টেস্টে জন্মদিনে সেঞ্চুরি করেন ইংল্যান্ডের রেগ সিম্পসন।
নটিংহামে ১৯৫৭ সালে ইংল্যান্ডের পিটার রিচার্ডসন তাঁর জন্মদিনে সেঞ্চুরি পান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি গ্রায়েম পোলক ১৯৬৭ সালে গেবারায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজের জন্মদিনে সেঞ্চুরি করেন।
ইএসপিএনক্রিকইনফো জানিয়েছে, এই ছয়জনের পাশাপাশি পাকিস্তান কিংবদন্তি ইমরান খান, দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ওপেনার অ্যান্ড্রু হাডসন এবং ইংল্যান্ডের উইকেটকিপার–ব্যাটসম্যান অ্যালেক স্টুয়ার্টও নিজের জন্মদিনে টেস্টে সেঞ্চুরি পেয়েছেন।
জন্মদিনে আছে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তিও!
১৯৩০ সালে পোর্ট অব স্পেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জন্মদিনে ডাবল সেঞ্চুরি পান ইংল্যান্ডের প্যাটসি হেনড্রেন।

২০০৬ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার জেসন গিলেস্পিও তাঁর জন্মদিনে ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন। প্রতিপক্ষ? বাংলাদেশ!
জন্মদিনে আছে ট্রিপল সেঞ্চুরির কীর্তিও। তবে সেটা টেস্টে নয়।
১৯৬২ সালে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এমসিসির হয়ে চার দিনের ম্যাচে ৩০৭ রানের ইনিংস খেলেন ইংল্যান্ড কিংবদন্তি কলিন কাউড্রে। খেলার দ্বিতীয় দিনটি ছিল তাঁর জন্মদিন, সেদিনই ট্রিপল সেঞ্চুরি পান কাউড্রে।
১৮৭০ সালে লর্ডসে জেন্টলমেনের হয়ে প্লেয়ার্সদের বিপক্ষে নিজের ২২ তম জন্মদিনে সেঞ্চুরি করেন ক্রিকেটের বিখ্যাত দাঁড়িওয়ালা ইংরেজ ডব্লিউ জি গ্রেস। সাত বছর পর ‘ইংল্যান্ড’ এর বিপক্ষে গ্লুস্টারশায়ার ও ইয়র্কশায়ারের সম্মিলিত দলের হয়ে জন্মদিনে আবারও সেঞ্চুরি করেন গ্রেস।

মিরাজ দাঁড়াতে পারলেন না
বাংলাদেশ: ১০১ ওভারে ৩৫৪/৬।
আব্বাসের করা ১০১তম ওভারে ছক্কা মারার পরের বলেই আউট মিরাজ!
তৃতীয় বলে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা মারার পরের বলেই গালিতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন এই স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার। ১২ বলে ১০ রান করেছেন মিরাজ।
ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান তাইজুল ইসলাম। তাঁকে নিয়ে কি সেঞ্চুরি তুলে নিতে পারবেন মুশফিক। আপাতত তিনি ৬২ রানে অপরাজিত।
ক্যাচ শেখালেন লিটন
বাংলাদেশ: ৯৭ ওভারে ৩৩৮/৫।
আব্বাস বাউন্সার মেরেছিলেন অফ স্টাম্পের বেশ বাইরে। লিটনের সেটা টেনে মিড অনের ওপর দিয়ে মারার সাধ জাগল! ব্যাটে–বলে ঠিকমতো করতে না পারায় মিড অনে বদলি ফিল্ডার আমাদ বাটকে ক্যাচ শিখিয়ে ফিরতে হলো ড্রেসিংরুমে।
৬৭ বলে ৩৩ রান করেছেন লিটন। ৯৭তম ওভারের চতুর্থ বলে তাঁর আউট হওয়ার মধ্য দিয়ে পঞ্চম উইকেটে লিটন–মুশফিকের ৬২ রানের জুটিও ভাঙল।
সাতে নেমেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
বেঁচে গেলেন লিটন
বাংলাদেশ: ৯৫ ওভারে ৩৩০/৪।
৯৫ তম ওভারে আব্বাসের পঞ্চম বলে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়েছিলেন লিটন। বলটি অফ স্টাম্পের বেশ বাইরে থাকায় জোরে স্কয়ার কাট খেলতে গিয়ে সেভাবে ব্যাটে পাননি। স্লিপে দাঁড়ানো ফিল্ডার আজান আওয়াইস এক হাতে ক্যাচটি দারুণভাবে নিলেও টিভি আম্পায়ার ভিডিও রিপ্লেতে দেখেছেন, ক্যাচটি বৈধ ছিল না। অর্থাৎ বল মাটিতে লেগেছিল। বেঁচে গেলেন লিটন।
লিটন ৩২ ও মুশফিক ৫৩ রানে ব্যাট করছেন।
মুশফিক–লিটনের ‘ফিফটি’
বাংলাদেশ: ৯২ ওভারে ৩২৬/৪।
পঞ্চম উইকেটে ১১০ বলে ৫০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন মুশফিক ও লিটন। দুজনেই দেখেশুনে ব্যাট করছেন। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে এটি তৃতীয় ন্যূূনতম ৫০ রানের জুটি।
মুশফিক ৫১ ও লিটন ৩০ রানে অপরাজিত।
মুশফিকের ফিফটি
বাংলাদেশ: ৮৯ ওভারে ৩১৭/৪।
টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের ২৯ তম ফিফটি তুলে নিলেন মুশফিক। জন্মদিনে ফিফটি তুলে নেওয়ায় ইনিংসটি নিশ্চয়ই স্মরণীয় হয়ে থাকবে তাঁর কাছে? তবে ইনিংসটিকে তিন অংকে নিয়ে যেতে পারলে সেটাই হবে জন্মদিনে মুশফিকের বড় প্রাপ্তি।
দিনের খেলা শুরুর পর চতুর্থ ওভারে শাহিন আফ্রিদির বলে (৮৮.২ ওভার) সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটির দেখা পান মুশফিক। তার আগে ভালো শুরুও পেয়েছেন লিটন ও মুশফিক। ৮৭ তম ওভারে আফ্রিদিকে টানা তিন চার মারেন লিটন।
মুশফিক ৫০ ও লিটন ২২ রানে ব্যাট করছেন।
টেস্ট এ নিয়ে টানা তিন ইনিংসে ন্যূনতম ৫০ রানের দেখা পেলেন মুশফিক। গত বছর নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আগের দুই ইনিংসে তাঁর স্কোর ৫৩* ও ১০৬।

মিরপুরের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন
শেরেবাংলা স্টেডিয়াস থেকে প্রথম আলোর ক্রীড়া প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, গতকাল রোদ থাকলেও আজ তা নেই। মেঘাচ্ছন্ন আকাশের নিচে পাকিস্তানের বোলাররা একটু বাড়তি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারেন বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। দলের প্রতিনিধি হয়ে গতকাল মুমিনুল হক বলে গিয়েছিলেন, আজ দিনের প্রথম এক ঘণ্টা তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
শুভ জন্মদিন মুশফিকুর রহিম
শুভ জন্মদিন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল।’
আজ ৩৯ বছর বয়সে পা রাখলেন মুশফিকুর রহিম। শুভ জন্মদিন! দিনের খেলা শুরুর আগে মুশফিকের জন্মদিন উদ্যাপন করতে কেক কেটেছে বাংলাদেশ দল।
জন্মদিনে ফিফটির খোঁজে মাঠে নামবেন ৪৮ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিক। ৮ রানে অন্য প্রান্তে অপরাজিত লিটন দাস। আজ মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনে কতদূর যাবে বাংলাদেশ?
গতকাল ৮৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৩০১ রানে প্রথম দিনের খেলা শেষ করে বাংলাদেশ।

প্রথম দিনের খেলা শেষে
দিনের শেষ সেশনের খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হলো সাড়ে পাঁচটায়। টেস্টের প্রথম দিনে খেলা হয়েছে ৮৫ ওভার। তাতে ৪ উইকেটে ৩০১ রান করেছে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ৪৮ ও লিটন দাস ৮ রান নিয়ে কাল দিনের খেলা শুরু করবেন।
টেস্টের প্রথম দিনটা বাংলাদেশের হয়েছে অধিনায়ক নাজমুল হোসেনের ১০১ ও মুমিনুল হকের ৯১ রানের ইনিংসের কল্যাণে। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুজনে মিলে গড়েছিলেন ১৭০ রানের জুটি।
পাকিস্তানের হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাস ও নোমান আলী।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৮৫ ওভারে ৩০১/৪ (নাজমুল ১০১, মুমিনুল ৯১; আফ্রিদি ১/৬৭, আব্বাস ১/৫১)
প্রথম দিন শেষে
বাংলাদেশের তিন শ
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৮৪ ওভারে ৩০১/৪।
ইনিংসের ৮৪তম ওভারে মোহাম্মদ আব্বাসের তৃতীয় বলে থার্ড ম্যান দিয়ে চার মেরেছেন মুশফিকুর রহিম। এই বাউন্ডারিতে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের রান তিন শর ঘর ছুঁয়েছে। মুশফিক ৪৮, লিটন ৮ রানে ব্যাট করছেন।
নোমান আলী টু মুমিনুল, আউট!
বাংলাদেশ: ৭৫ ওভারে ২৭৭/৪
পারলেন না মুমিনুল! বাঁহাতি স্পিনার নোমান আলীর নিচু হয়ে আসা বলে এলবিডব্লিউ হলেন মুমিনুল। তিনি করেছেন ৯১ রান।
মুমিনুল সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেছেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। এরপর তিনি ৭টি (আজকের ইনিংসসহ) পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস খেললেও একটিও সেঞ্চুরি পাননি।

জুটি বড় হচ্ছে মুশফিক–মুমিনুলের
বাংলাদেশ: ৬৩ ওভারে ২৪৪/৩।
চা বিরতির পর মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে বড় জুটি গড়ার পথে আছেন মুমিনুল হক। চতুর্থ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৪৩ রানের জুটি গড়েছেন দুজন।
মুমিনুল ৮০ ও মুশফিক ১৪ রানে অপরাজিত।
দ্বিতীয় সেশনও বাংলাদেশের
বাংলাদেশ: ৫৩ ওভারে ২০১/৩।
মিরপুর টেস্টে আজ প্রথম দিনে প্রথম সেশনে ১১ ওভারের মধ্যে ২টি উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলেছিল পাকিস্তান। এরপর তৃতীয় উইকেটে নাজমুল–মুমিনুলের ১৭০ রানের জুটিতে প্রথম সেশনের পর দ্বিতীয় সেশনও নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ।
টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের নবম সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ৫৩তম ওভারে আব্বাসের বলে আউট হন নাজমুল। এই ওভারের খেলা শেষেই চা বিরতিতে যায় দুই দল।
মুমিনুল অন্য প্রান্তে ৬৪ রানে অপরাজিত। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে নেমেছেন মুশফিকুর রহিম (০*)।
দ্বিতীয় সেশনে ২৭ ওভারে ১ উইকেটে ১০০ রান তুলেছে বাংলাদেশ।

সেঞ্চুরি করেই আউট নাজমুল
৫৩তম ওভারে আব্বাসের প্রথম বলে কাভার ড্রাইভে চার মেরে টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের ৯ম সেঞ্চুরি তুলে নিলেন নাজমুল। অসাধারণ ব্যাট করছেন। ১২৯ বলে সেঞ্চুরির পথে ১২টি চার ও ২টি ছক্কা মেরেছেন। এর মধ্যে ৪৯ তম ওভারে আব্বাসের দ্বিতীয় বলে লং অন দিয়ে মারা ছক্কাটি এখন পর্যন্ত দিনের সেরা শট।
আজ যেভাবে ব্যাট করেছেন, তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংস হতেই পারে এই সেঞ্চুরিটি। শট বাছাই, টেম্পারমেন্ট, পুল, স্পিনে একটু চড়াও হয়ে খেলা—সব মিলিয়ে চোখ জুড়ানো এক ইনিংসই খেললেন নাজমুল।
কিন্তু সেঞ্চুরি করার পরের বলেই এলবিডব্লু আউট হয়ে ফিরলেন নাজমুল। রিভিউ নিয়ে তাঁকে আউট করেছে পাকিস্তান। ১৩০ বলে ১০১ রানে ফিরলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
টেস্টে আজকের ইনিংসসহ সর্বশেষ ৮ ইনিংসের মধ্যে চারটি সেঞ্চুরি পেয়েছেন নাজমুল। পাঁচে নেমেছেন মুশফিকুর রহিম। মুমিনুল ৬৪ রানে অপরাজিত।
নাজমুল আউট হওয়ার মধ্য দিয়ে তৃতীয় উইকেটে মুমিনুলের সঙ্গে তাঁর ২৫৭ বলে ১৭০ রানের জুটিও ভাঙল। এই জুটিতে মুমিনুলের অবদান ৬২, নাজমুলের ১০১।

মুমিনুলের ফিফটি
বাংলাদেশ: ৪২ ওভারে ১৬২/২।
১০২ বলে ফিফটি তুলে নিলেন মুমিনুল। ৪২তম ওভারে নোমান আলীর প্রথম বলে ২ রান নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে ২৬ তম ফিফটি পেলেন এই বাঁহাতি। এই পথে চার মেরেছেন ৬টি।
মুমিনুল ১০৫ বলে ৫২ ও নাজমুল ১০২ বলে ৭৭ রানে অপরাজিত।
৮২,৬৩,৮৭ ও ৫২*—টেস্ট ক্যারিয়ারে আজকের ইনিংসসহ সর্বশেষ চার ইনিংসেই ফিফটি পেলেন মুমিনুল। সবগুলো ইনিংসই ঘরের মাঠে (সিলেটে একটি, মিরপুরে তিনটি)। আজ সেঞ্চুরি পান কি না, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।
তৃতীয় উইকেটে ১৩১ রানের জুটি গড়েছেন নাজমুল ও মুমিনুল।

নাজমুল–মুমিনুলের ‘সেঞ্চুরি’
বাংলাদেশ: ৩৬ ওভারে ১৩৪/২।
তৃতীয় উইকেটে নাজমুল–মুমিনুল ১০৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন। এই জুটিতে মুমিনুলের অবদান ৭৪ বলে ৩৯* ও নাজমুলের অবদান ৮১ বলে ৬১*।
মুমিনুল ৮৭ বলে ৪১ ও নাজমুল ৮১ বলে ৬১ রানে অপরাজিত।

নাজমুলের ফিফটি
বাংলাদেশ: ৩১ ওভারে ১১৭/২।
৩১ তম ওভারে হাসান আলীর শেষ বলটি ছিল শরীর তাক করে মারা বাউন্সার। বলটি যত ভালো ছিল, তার চেয়েও দর্শনীয় পুল শটে সীমানাছাড়া করে ফিফটি তুলে নেন নাজমুল। বাংলাদেশ অধিনায়কের টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি ষষ্ঠ ফিফটি।
টেস্টে এই ইনিংসহ সর্বশেষ ৮ ইনিংসে তিনটি সেঞ্চুরি ও একটি ফিফটি তুলে নিলেন নাজমুল। ১ ছক্কা ও ৬টি চারে মোট ৭১ বলে ফিফটি তুলে নিলেন নাজমুল। ৭৩ বলে ৫৩ রানে ব্যাট করছেন তিনি। এই ইনিংসে মোটেও তাড়াহুড়ো করেননি, শট খেলার সুযোগ পেলেও ছাড়েননি। যেমন সাহসী তেমনই সুন্দর ব্যাটিং করছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
নাজমুল–মুমিনুলের তৃতীয় উইকেট জুটিতে এখন পর্যন্ত উঠেছে ৮৬ রান। ৭১ বলে ৩২ রানে অন্য প্রান্ত ধরে রেখেছেন মুমিনুল।
মধ্যাহৃভোজের বিরতি
বাংলাদেশ: ২৬ ওভারে ১০১/২।
শেষ হলো প্রথম সেশনের খেলা। মধ্যাহৃভোজনের বিরতিতে গিয়েছে দুই দল। তার আগে বেশ ভালো ব্যাট করেছেন মুমিনুল ও নাজমুল। তৃতীয় উইকেটে ৯৫ বলে ৭০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন দুজন। এই জুটিতে মুমিনুলের অবদান ৪৫ বলে ২৯ এবং নাজমুলের ৫০ বলে ৩৯।
মুমিনুল ৩১ ও নাজমুল ৩৯ রানে অপরাজিত। মুমিনুল ৪টি চার মেরেছেন। নাজমুল ৪টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কাও মারেন।

বাংলাদেশ প্রথম ফিফটি পেয়েছে ১০২ বলে। পরের ফিফটি পেয়েছে ৫২ বলে।
প্রথম সেশনে পাঁচ বোলার ব্যবহার করেছে পাকিস্তান। বাংলাদেশ ১০.১ ওভারে ৩১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন মুমিনুল ও অধিনায়ক নাজমুল। তাদের জুটি ভাঙতে পার্ট–টাইমার সালমান আগাকে দিয়ে স্পিন বোলিং করিয়েছে পাকিস্তান। পাশাপাশি নিয়মিত স্পিনার নোমান আলীও বোলিং করেন।
এর আগে সপ্তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির প্রথম বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাহমুদুল (৮)। এরপর হাসান আলীর বলে সাদমানও (১৩) স্লিপে ক্যাচ দেন।

বড় জুটি গড়ার চেষ্টা…
বাংলাদেশ: ২২ ওভারে ৮৩/২।
তৃতীয় উইকেটে ৫২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন মুমিনুল ও নাজমুল। এই জুটি যতটা সম্ভব বড় করতে হবে দুজনকে। সেই চেষ্টাই করছেন তারা।
মুমিনুল ২৬ ও নাজমুলও ২৬ রানে অপরাজিত।

এসেই উইকেট নিলেন হাসান আলী
বাংলাদেশ: ১১ ওভারে ৩৬/২।
১১ তম ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই সাদমানকে স্লিপে ক্যাচ বানালেন হাসান আলী। সিম মুভমেন্টের কাছে নতি স্বীকার করে তৃতীয় স্লিপে সালমান আগাকে ক্যাচ দেন ৩০ বলে ১৩ রান করা সাদমান।
মুমিনুল ৬ ও চারে নামা নাজমুল ১ রানে অপরাজিত।
২৫ বলের মধ্যে ২ উইকেট হারাল বাংলাদেশ।

রেকর্ড
নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো এক ম্যাচে ৭ জন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান নিয়ে নেমেছে পাকিস্তান। ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট ও ২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে ৬ জন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান খেলায় পাকিস্তান। বাংলাদেশের বিপক্ষে চলমান মিরপুর টেস্টটি এ সংস্করণে পাকিস্তানের ৪৬৮ তম ম্যাচ।
আউট !
বাংলাদেশ: ৭ ওভারে ২৩/১।
‘জীবন’ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারলেন না মাহমুদুল। সপ্তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির প্রথম বলে উইকেটকিপার রিজওয়ানকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন। ১৯ বলে ৮ রান করেছেন মাহমুদুল। অফ স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন।
তিনে নেমেছেন মুমিনুল হক।

পাকিস্তানের প্রথম বোলার হিসেবে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ উইকেট নিলেন শাহিন আফ্রিদি। মাহমুদুলকে আউট করে মাইলফলকটির দেখা পেলেন এ পেসার।
‘জীবন’ পেলেন মাহমুদুল
বাংলাদেশ: ৫ ওভারে ১৮/০।
পঞ্চম ওভারে আফ্রিদির প্রথম বলে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দিয়েছিলেন মাহমুদুল। ক্যাচটি ধরতে দ্বিতীয় স্লিপ ফিল্ডার আব্দুল্লাহ ফজল কিছুটা সামনে চলে আসায় বলটি আর মুঠোবন্দী করতে পারেননি প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো সালমান আগা। রুটিন ক্যাচ ছিল এটি। ব্যক্তিগত ৪ রানে ‘জীবন’ পাওয়াটা কি কাজে লাগাতে পারবেন মাহমুদুল?
মাহমুদুল ৮ ও সাদমান ৬ রানে অপরাজিত। এখনো পর্যন্ত পাকিস্তানের কোনো পেসার বাউন্সার মারেননি!

দেখেশুনে ব্যাট করছেন সাদমান–মাহমুদুল
বাংলাদেশ: ৪ ওভারে ১৪/০
পাকিস্তানের দুই পেসার শাহিন আফ্রিদি ও মুহাম্মদ আব্বাস ভালো জায়গায় বোলিং করছেন। বাংলাদেশের দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান ও সাদমানও দেখে খেলছেন। আপাতত ড্রাইভের বলগুলো ছাড়া সেভাবে রান বের করার চেষ্টা করছেন না তাঁরা।
দুটি চার হজমে শুরু আফ্রিদির
বাংলাদেশ: ১ ওভারে ৮/০।
পাকিস্তানের পেসার শাহিন আফ্রিদির প্রথম বলেই ফ্লিক করে চার মারেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান। পরের বলে লেগ বাই থেকে চার হয়। ৮ রান এসেছে এই ওভারে। হালকা সুইং পেয়েছেন আফ্রিদি।
তিন স্লিপ ও গালিতে এক ফিল্ডার রেখেছে পাকিস্তান। মাহমুদুল ৪ ও সাদমান ০ রানে অপরাজিত।
টসনামা ও কত রান নিরাপদ?
শেরেবাংলা স্টেডিয়াম থেকে প্রথম আলোর ক্রীড়া প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ঘরের মাঠে ৩৬বার টস হেরে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে মাত্র ৬ ম্যাচে। সবগুলো ম্যাচই ছিল জিম্বাবুয়ে আর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।
পিচে ঘাস থাকায় শুরুতে বেশ সুবিধা পাওয়ার কথা পাকিস্তানের পেসারদের। তবে সুযোগ আছে বাংলাদেশের জন্যও। সর্বশেষ যে আটবার বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে তিন শর বেশি রান করেছে, এর মধ্যে কোনো ম্যাচেই হারেনি। এক ড্র ও বাকি সাত ম্যাচেই জিতেছে। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন তো গতকালই বলেছেনই, তারা চান চার শ রান করতে!

পাকিস্তান একাদশ
আজান আওয়াইস, ইমাম–উল–হক, আব্দুল্লাহ ফজল, শান মাসুদ (অধিনায়ক), সৌদ শাকিল, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), সালমান আগা, শাহিন আফ্রিদি, নোমান আলী, হাসান আলী ও মুহাম্মদ আব্বাস।
আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজলের অভিষেক হচ্ছে পাকিস্তানের জার্সিতে।

বাংলাদেশ একাদশ
নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও ইবাদত হোসেন।

টস
টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। অর্থাৎ আগে ব্যাট করতে নামবে বাংলাদেশ দল।

উইকেট কেমন
শেরেবাংলা স্টেডিয়াম থেকে প্রথম আলোর ক্রীড়া প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, পিচে ঘাস আছে। এখানে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকরী হতে পারেন যিনি— সেই নাহিদ রানাকে দেখা টসের পাঁচ মিনিট আগে দেখা গেল উইকেটে বল হাতে নিয়ে ‘শ্যাডো’ করতে। বাকিরাও তৈরি হচ্ছেন নিজেদের মতো করে।
গত কয়েক দিনে নিয়মিতই বৃষ্টি হয়েছে ঢাকায়। কিন্তু আজ মিরপুর টেস্ট শুরুর দিন আবহাওয়া রৌদ্রজ্জ্বল।

স্বাগতম
মিরপুরে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ। এই ম্যাচের আগে দুঃসংবাদ পেয়েছে পাকিস্তান দল। চোটের কারণে প্রথম টেস্টে তারকা ব্যাটসম্যান বাবর আজমের।
বাংলাদেশ দল বেশ আত্মবিশ্বাসী। ম্যাচের আগে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন দাবি করেছেন, গত কয়েক বছর ধরে পাকিস্তানের চেয়ে




